• রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৯:০০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে ক্যারিয়ার এক্সপোতে সরাসরি ইন্টারভিউ ও চাকরির সুযোগ লালদিয়ার চরে কোনো পক্ষই যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা হবে।। চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার অঙ্গীকারে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস পালন করল চট্টগ্রাম জেলা প্রেস ক্লাব চসিক এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’  মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন চসিক এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’  মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাউজানে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ৪৬তম গীতা জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠিত জলাবদ্ধতা নিরসনে ৬টি কমিটি করে দিলেন চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালন করল চট্টগ্রাম জেলা প্রেস ক্লাব ক্যারিয়ার হাবের উদ্যোগে চট্টগ্রামে এমপ্লয়ার্স মিটআপ অনুষ্ঠিত

শাহীন আফ্রিদিদের সামনে বাঘ নয়, বিড়াল বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১৮০
শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
IMG 20250926 WA0002

এশিয়া কাপের সুপার ফোরের নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে লজ্জাজনকভাবে হেরেছে বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরুতে বোলিং নৈপুণ্যে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেললেও ব্যাট হাতে চরম দুরবস্থার পরিচয় দিয়েছে টাইগাররা।

ক’দিন আগে সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানি পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদির “টাইগার কউন?” মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। আজ যেন সেই দম্ভোক্তিরই প্রতিফলন ঘটালেন তিনি। আগ্রাসী বোলিংয়ে পুরো ইনিংস জুড়েই আধিপত্য বিস্তার করে বাংলাদেশের ব্যাটিংকে উড়িয়ে দেন আফ্রিদি ও তার সৈনিকেরা।

দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। শুরুটা ছিল দারুণ, তাসকিন আহমেদের প্রথম ওভারেই শাহিবজাদা ফারহান ফেরেন সাজঘরে। এরপর অপর ওপেনার ফখর জামানকেও ফিরিয়ে দেন রিশাদ হোসেন। মুহূর্তেই চাপের মুখে পড়ে পাকিস্তান। তবে শেষদিকে মোহাম্মদ নাওয়াজ ও হারিসের ব্যাটে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৩৬ রানে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন।

আধুনিক টি-টোয়েন্টির যুগে ১৩৬ রান মামুলি লক্ষ্য ই বটে । কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটাররা যেন লক্ষ্যটা পাহাড়সম মনে করলেন। ইনিংসের প্রথম ওভারেই পারভেজ ইমন শূন্য রানেই আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। এরপর একে একে সাইফ হাসান, তৌহিদ হৃদয়সহ পুরো টপ-অর্ডার ভেঙে পড়ে তাসের ঘরের মতো। শাহীন আফ্রিদি ও হারিস রউফের গতিতে জাতীয়দলের ব্যাটিং লাইনআপ হয়ে উঠে অত্যন্ত লজ্জাজনক ও শিশুসুলভ। মোহাম্মদ নাওয়াজ ও সাইম আইয়ুবের টার্নের ও কোনো জবাব খুঁজে পাননি টাইগাররা।

এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল বাংলাদেশের ব্যাটাররা যেন মাঠে নয়, ড্রেসিংরুমে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। উইকেট পড়ার মিছিল থামেনি এক মুহূর্তও। শেষদিকে রিশাদ হোসেন কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও তাতে লাভ হয়নি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১২৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।

এশিয়া কাপে এই লজ্জাজনক হারের মধ্য দিয়ে শেষ হলো টাইগারদের যাত্রা। সামনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ, বিসিবি নির্বাচনসহ নানা নাটকীয়তা অপেক্ষা করছে। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—এভাবে ভরাডুবি আর ব্যর্থতার পরও কি বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নতির কোনো পথ খুঁজে পাবে? নাকি বারবার একই ভুলের পুনরাবৃত্তিই হবে তাদের নিয়তি?

দেশের ক্রিকেটমোদী দর্শকরা হয়তো আবারও মাঠে কিংবা টিভির সামনে বসবেন চিরচেনা সমর্থন নিয়ে। কিন্তু হতাশা ও ক্ষোভের প্রশ্ন জাগে—টাইগাররা আসলেই কবে শিখবে, কবে ঘুরে দাঁড়াবে?

এমকেআর/দেশবিদেশ 


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ