• বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘আশপাশের সব বাড়িতে পানি, একটু পর আমাদের বাড়িতেও ঢুকবে’ প্রাইভেটকারের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেছে কর্ণফুলী টানেলের ডেকোরেটিভ বোর্ডে ভারী বর্ষণে মাতামুহুরির ভয়ংকর রূপ, ডুবেছে ৩৮ হাজার বাসিন্দার গ্রাম ৪২ বছরের রেকর্ড ভাঙা বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম, পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু চট্টগ্রামে ক্যারিয়ার এক্সপোতে সরাসরি ইন্টারভিউ ও চাকরির সুযোগ লালদিয়ার চরে কোনো পক্ষই যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা হবে।। চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার অঙ্গীকারে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস পালন করল চট্টগ্রাম জেলা প্রেস ক্লাব চসিক এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’  মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন চসিক এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’  মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ভারী বর্ষণে মাতামুহুরির ভয়ংকর রূপ, ডুবেছে ৩৮ হাজার বাসিন্দার গ্রাম

চকরিয়া প্রতিনিধি / ১৭
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
Messenger creation B2E6136A D671 4D76 8156 699E4230EFB3

দেশব্যাপী টানা চারদিনে অতিবৃষ্টির প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো কক্সবাজারেও বন্যা পরিস্থিতি অবনতি ঘটেছে। জেলার নদীতীরবর্তী উপজেলা চকরিয়ার লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে পানি। এই উপজেলার বুক চিরে বয়ে যাওয়া মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বরইতলী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ৩৮ হাজার বাসিন্দা।

তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়ন। জানা গেছে, ইউনিয়নটির ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডসহ ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়েছে। অনেক বাড়িঘর, ফসলি জমি ও গ্রামীণ সড়ক পানির নিচে চলে গেছে। কৃষি ও পশুপালনের ওপর নির্ভরশীল অধিকাংশ পরিবার জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। অনেকেই গবাদিপশু নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে উঁচু এলাকা বা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

বরইতলী ইউনিয়নের এক বাসিন্দা বলেন, “মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলেই আমাদের এলাকা প্লাবিত হয়। প্রতি বর্ষায় একই দুর্ভোগের মুখোমুখি হতে হয়। অনেকেই গবাদিপশুসহ নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন। এভাবে জীবনযাপন খুবই কষ্টকর। আমাদের এলাকার জনপ্রতিনিধি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন, নদীর তীর রক্ষা বাঁধ আরও শক্তিশালী ও টেকসই করে আমাদের এই দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে স্থায়ী মুক্তির ব্যবস্থা করা হোক।”

স্থানীয়দের দাবি, ১৯৯১ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়েও বরইতলী ইউনিয়ন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছিল। তিন দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও বর্ষা এলেই বন্যা ও নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাতে হয় তাদের। তাই দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও নদীভাঙন প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মাহতাব/এআরই/দেশবিদেশ


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ