• বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উৎকন্ঠার রাত বাঁশখালীবাসীর, ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা বাসিন্দাদের ‘আশপাশের সব বাড়িতে পানি, একটু পর আমাদের বাড়িতেও ঢুকবে’ প্রাইভেটকারের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেছে কর্ণফুলী টানেলের ডেকোরেটিভ বোর্ডে ভারী বর্ষণে মাতামুহুরির ভয়ংকর রূপ, ডুবেছে ৩৮ হাজার বাসিন্দার গ্রাম ৪২ বছরের রেকর্ড ভাঙা বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম, পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু চট্টগ্রামে ক্যারিয়ার এক্সপোতে সরাসরি ইন্টারভিউ ও চাকরির সুযোগ লালদিয়ার চরে কোনো পক্ষই যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা হবে।। চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার অঙ্গীকারে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস পালন করল চট্টগ্রাম জেলা প্রেস ক্লাব চসিক এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’  মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন চসিক এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’  মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন

৪২ বছরের রেকর্ড ভাঙা বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম, পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু

মেহেদী হাসান, চট্টগ্রাম: / ১৯
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
1783488457 9a4a476eb40ea377072802e20be8ff74

বৃষ্টি কিছুটা কমলেও থামেনি চট্টগ্রামের দুর্ভোগ। বরং বেড়েছে জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতি। নগরের অধিকাংশ নিচু এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পাহাড়ধসে প্রাণ গেছে এক শিশুর। এদিকে মঙ্গলবারের বৃষ্টিপাত ৪২ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে।

চকবাজার, কাতালগঞ্জ, আগ্রাবাদ, হালিশহর, চান্দগাঁও, মোহরা, কুয়াইশ, অক্সিজেনসহ নগরের বিভিন্ন নিচু এলাকার সড়ক, অলিগলি, ভবনের নিচতলা ও দোকানপাটে পানি উঠেছে। স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও হাসপাতালের নিচতলাও জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। অনেক পরিবারের রান্নার চুলাও পানিতে তলিয়ে গেছে।

নগরের বাইরেও একই চিত্র দেখা গেছে। হাটহাজারী, রাউজান, সাতকানিয়া, সীতাকুণ্ড, রাঙ্গুনিয়া, বোয়ালখালীসহ জেলার প্রায় সব উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সন্দ্বীপে যাতায়াত প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ষোলশহর স্টেশনে আটকে পড়া কক্সবাজারগামী ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।

এদিকে পাহাড়ধসে প্রাণ গেছে এক শিশুর। নগরের ৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ডের মুক্তিযোদ্ধা পাহাড় এলাকায় পাহাড়ের একটি অংশ ধসে পড়লে মাটিচাপা পড়ে সুমাইয়া নামে এক শিশু। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৪১২ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা গত ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০০৭ সালের ১১ জুন ২৪ ঘণ্টায় ৪০৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছিল। ওই সময় ভয়াবহ পাহাড়ধস ও বন্যায় চট্টগ্রামে ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এবার সেই বৃষ্টিপাতের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত পাহাড়ধসে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বিশ্বজিৎ চৌধুরী জানান, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকির বিষয়েও সতর্কতা জারি রয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় মাঠে নেমেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসন। বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় চলছে মাইকিং। এছাড়া পরিস্থিতি মোকাবিলায় মেয়র ১০১ সদস্যের একটি কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেছেন।


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ