• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উৎকন্ঠার রাত বাঁশখালীবাসীর, ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা বাসিন্দাদের ‘আশপাশের সব বাড়িতে পানি, একটু পর আমাদের বাড়িতেও ঢুকবে’ প্রাইভেটকারের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেছে কর্ণফুলী টানেলের ডেকোরেটিভ বোর্ডে ভারী বর্ষণে মাতামুহুরির ভয়ংকর রূপ, ডুবেছে ৩৮ হাজার বাসিন্দার গ্রাম ৪২ বছরের রেকর্ড ভাঙা বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম, পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু চট্টগ্রামে ক্যারিয়ার এক্সপোতে সরাসরি ইন্টারভিউ ও চাকরির সুযোগ লালদিয়ার চরে কোনো পক্ষই যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা হবে।। চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার অঙ্গীকারে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস পালন করল চট্টগ্রাম জেলা প্রেস ক্লাব চসিক এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’  মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন চসিক এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’  মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন

মেয়র শাহাদাতের নেতৃত্বে বেআইনি ব্যানার অপসারণ অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৯৩
রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫
WhatsApp Image 2025 10 05 at 5.44.50 PM

চট্টগ্রাম নগরের শোভা ও সৌন্দর্য রক্ষায় বেআইনি পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন ও সাইনবোর্ড অপসারণে মাঠে নেমেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুরে কাজীর দেউড়ি মোড়, চেরাগি পাহাড়, আন্দরকিল্লা, লালদীঘি ও চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন মেয়র।

এ সময় মেয়র বলেন, “আমরা ক্লিন সিটি গড়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সবাইকে সচেতন হতে হবে, শহর আমাদের সবার।”

মেয়র সতর্ক করে আরও বলেন, অনুমতি ছাড়া ব্যানার-পোস্টার টানালে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব বেআইনি পোস্টার ও ব্যানার সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “প্রতি মাসে অন্তত একবার নিজেই এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করি। কারণ চট্টগ্রাম শহরের সৌন্দর্য রক্ষা আমাদের দায়বদ্ধতা।”

তিনি জানান, পূজার সময় কিছু ব্যানার টানানো হয়েছিল, সেগুলোও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরিয়ে ফেলতে হবে। “শহরের সৌন্দর্যের প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না,” বলেন মেয়র।

চকবাজারকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমৃদ্ধ ক্লিন, গ্রিন ও হেলদি জোনে পরিণত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। নগরে ডিজিটাল বোর্ড বা এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান মেয়র।

মেয়র আরও বলেন, “সিটি করপোরেশন একা কিছু করতে পারবে না। নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিকদের সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।”

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, চট্টগ্রামে প্রায় ৮০ শতাংশ কোচিং সেন্টার অনুমতি ছাড়া ব্যানার-পোস্টার লাগিয়েছে, যা সিটি করপোরেশনের রাজস্ব ক্ষতির কারণ হচ্ছে।

অভিযানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, মেয়রের একান্ত সহকারী মারুফুল হক চৌধুরী এবং পরিচ্ছন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা।

এমআর/দেশবিদেশ


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ