
বয়স কোনো বাধা না বয়স শুধু মাত্র একটি সংখ্যা, তা ই প্রমাণ করলেন সিআরসেভেন ক্ষ্যাত বিশ্বসেরা পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্দো। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। আর মাএ দুইটি গোল করলে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সর্বোচ্চ গোলদাতার স্থান দখল করে নিবেন এই পর্তুগিজ তারকা।
গত (শনিবার) রাতে আর্মেনিয়ার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলতে নেমেছিল পর্তুগাল। যেখানে ৫-০ গোলে উড়ে গেছে স্বাগতিক আর্মেনিয়া। পর্তুগালের পক্ষে রোনালদো ও জোয়াও ফেলিক্স জোড়া এবং জোয়াও কান্সেলো এক গোল করেন। এই ম্যাচেই বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৮তম গোল হয়ে গেল সিআরসেভেনের। গত শুক্রবার জোড়া গোল করে মেসি তাকে ছুঁয়েছিলেন। তবে বাছাইপর্বে আরো একটি ম্যাচ বাকি আর্জেন্টিনার খেলতে পারবে না মেসি । এবার রোনালদো সবাইকে পেছনে ফেলে রয়েছেন সবার শীর্ষে ওঠার নিকটে। এখন প্রথম স্থান দখল করে আছেন গুয়াতেমালা ফরোয়ার্ড কার্লোস রুইজ। ৪৭টি ম্যাচ খেলে ৩৯টি গোল করেছেন তিনি।
গুয়াতেমালা ফরোয়ার্ড ; কার্লোস রুইজ
৪৭টি ম্যাচ খেলে ৩৯টি গোল করে শীর্ষ গোলদাতাদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন তিনি,দেখা যায় গড়ে প্রতি ম্যাচ ০.৮৩টি গোল করেছেন এই গুয়াতি ফরোয়ার্ড।
পর্তুগিজ উইঙ্গার এবং ফরোয়ার্ড -ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
৪৮টি ম্যাচ খেলে ৩৮টি গোল করছেন গড়ে প্রতি ম্যাচ ০.৭৯টি গোল করেছেন।
আর্জেন্টিনা উইঙ্গার এবং ফরোয়ার্ড- লিওনেল মেসি
মোট ৭২টি খেলায় ৩৬টি গোল করেছেন, গড়ে প্রতি খেলায় ০.৫০টি গোল করেছেন।
আইআর ইরান ফরোয়ার্ড-আলী দাই
৫১টি খেলায় ফরোয়ার্ড ৩৫টি গোল, মোট ০.৬৯টি গোল, গড়ে প্রতি খেলায় ০.৬৯টি গোল করেছেন।
পোল্যান্ড ফরোয়ার্ড-রবার্ট লেভান্ডোস্কি
৪১টি খেলায় ৩২টি গোল, গড়ে প্রতি খেলায় ০.৭৮টি গোল।
নিউজিল্যান্ড ফরোয়ার্ড,ক্রিস উড
৩১টি খেলায় ফরোয়ার্ড ২৯টি গোল, মোট ০.৯৪টি খেলায় গোল।
আইআর ইরানি ফরোয়ার্ড, সরদার আজমুন
৪১টি খেলায় ২৯টি গোল, মোট ০.৭১টি খেলায় গোল, গড়ে।,