• মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামে ক্যারিয়ার এক্সপোতে সরাসরি ইন্টারভিউ ও চাকরির সুযোগ লালদিয়ার চরে কোনো পক্ষই যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা হবে।। চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার অঙ্গীকারে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস পালন করল চট্টগ্রাম জেলা প্রেস ক্লাব চসিক এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’  মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন চসিক এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে মাসব্যাপী ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’  মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাউজানে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে ৪৬তম গীতা জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠিত জলাবদ্ধতা নিরসনে ৬টি কমিটি করে দিলেন চসিক মেয়র ডাঃ শাহাদাত বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালন করল চট্টগ্রাম জেলা প্রেস ক্লাব ক্যারিয়ার হাবের উদ্যোগে চট্টগ্রামে এমপ্লয়ার্স মিটআপ অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামে খাস্তগীর স্কুলের মাঠ দখলচেষ্টা: দুদকের অভিযান

দেশবিদেশ প্রতিবেদক / ৮৪
রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
school 2508241305

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৪৭ বছরের পুরোনো খেলার মাঠ দখলের চেষ্টাকে ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে—চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে মাঠটি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা চলছে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) রোববার (২৪ আগস্ট) দুপুরে মাঠে অভিযান চালায়। দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত কার্যালয়-১-এর সহকারী পরিচালক সায়েদ আলমের নেতৃত্বে অভিযানে মাঠ পরিদর্শন করা হয় এবং বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মালিকানা সংক্রান্ত আংশিক কাগজপত্র সংগ্রহ করা হয়।

দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দ্রুত কমিশনের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষার্থীদের খেলার জন্য ব্যবহৃত প্রায় ১৫ কাঠা জমির এই মাঠটি ২০০৬ সালে একটি পক্ষ মাত্র ৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় ক্রয় করার দাবি করে। এরপর থেকে মাঠের মালিকানা নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মামলা চলছে। মামলার রায় হওয়ার আগেই সম্প্রতি ওই পক্ষ ভূমি অফিসে মাঠটি নিজেদের নামে নামজারির আবেদন করলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং চট্টগ্রামজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগ, মাঠটি স্কুলের সম্পত্তি। অথচ জেলা প্রশাসন, ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের একাধিক কর্মকর্তার যোগসাজশে জালিয়াতির মাধ্যমে মাঠটি হাতিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা চলছে।

বাকলিয়া ভূমি অফিস সূত্র জানায়, এর আগেও ওই পক্ষ চারবার নামজারি আবেদন করেছিল, তবে প্রতিবারই তা খারিজ করা হয়েছে।

দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদ বলেন, “অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সরকারি বিদ্যালয়ের জমি অবৈধভাবে বিক্রি করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ক্ষতির অভিযোগের ভিত্তিতে আজ অভিযানে নেমেছি। বিদ্যালয়ের মাঠ সরেজমিনে দেখা হয়েছে এবং প্রাথমিক রেকর্ড সংগ্রহ করা হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে সব নথি যাচাই শেষে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।”


এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ