মুছাপুরবাসীর প্রতি চেয়ারম্যান প্রার্থী ইদ্রিছ আলমের কিছু কথা





শেয়ার

 

মুহাম্মদ ইদ্রিছ আলম ১১ নং মুছাপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী, মার্কা আনারস তাঁর পিতা মরহুম নূরুল হুুদা মেম্বার দীর্ঘ দিন মূছাপুরে মেম্বার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। এভাবে সমাজ সেবা করে জীবন পার করেছেন।

একইভাবে তাঁর সুযোগ্য সন্তান মুছাপুরবাসীর মূল্যবান ভোটটি আমার আনারস মার্কায় চাই।

মুছাপুরবাসীর প্রতি মুহাম্মদ ইদ্রিছ আলমের আকুল আবেদন নিন্মে তুলো ধরা হলো:

‘‘আমি মুহাম্মদ ইদ্রিছ আলম আমি আপনাদের মূল্যবান ভোটটি আনারস মার্কায় এই জন্যে চাই যে, আমার জীবনের ৫০ টি বছরের মধ্যে ৪০ টি বছর পর্যন্ত দেখে আসছি যে বিগত বছরে যাহারা মূছাপুরের চেয়ারম্যান হয়েছেন কোন না কোন ভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছেন। তাদের দায়িত্বের সাথে কথা কাজের মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্চেনা।! বিগত দিনে দেখেছি শুনেছি যে সরকার প্রধান থেকে যে সকল বরাদ্দ / দান/অনুদান ক্রমান্বয়ে আসছে ইউনিয়ন পরিষদের নামে সেখান জনপ্রতিনিধিরা বলে, আমি তোমাদর চাল দিয়েছি, কার্ড , টাকা,রাস্তা দিছি, কালভাট দিছি, গাছ দিছি, মাছ দিছি,আসলে জনপ্রতিনিধিদের কথার সাথে সূর মিলিয়ে গ্রামের সহজ সরল গরিব দূঃখী জনগণ বলে হ্যাঁ চেয়ারম্যান মেম্বার সাহেব সব দিয়েছেন, আসলে কি তাই?

আমার দৃষ্টিতে জনপ্রতিনিধিরা হলেন সুষ্ঠ বন্টন কারী,তাদের দায়িত্ব সততা নিষ্ঠার সাথে সরকার প্রদান থেকে যা অনুদান আসে তা সঠিক ভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং সুষ্ঠ বন্টন করে দেওয়া একজন জনপ্রতিনিধির কৃতিত্ব।স্বজন প্রীতির কারনে সেই কৃতিত্ব থেকে জনপ্রতিনিধিরা বন্চিত হচ্ছেন

গ্রাম্য আদালত বলতে আমি ব্যক্তিগত ভাবে ইউনিয়ন পরিষদকে বুঝি, যেখানে দুইপক্ষের প্রয়োজনীয় লোকজন উপস্থিত থাকবেন, সেখানে দেখা গেছে দুই'পক্ষের শত শত উৎসব জনতা মারমুখী অবস্থান।

এটা কি সমাজ ব্যবস্থার ধংসের এবং পরিবেশ নষ্টের লক্ষন নয় কি?

ইউনিয়ন জনপ্রতিনিধি কেউ কি যুবক দের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবেন!!

কেউ কি তাদেরকে, কর্মমূখী হওয়ার জন্যে কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করেছেন! হোক ছোট পরিসরে!! হ্যাঁ জনপ্রতিনিধিরা যুবকদেরকে পেছনে হাটানো একটা রোল মডেল সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন,যার কারনে যুবকেরা কর্মবিমূখী হয়ে পরেছেন এই কর্মবিমূখ হয়ে যাওয়ার কারনে, প্রত্যেক যুবকের সমাজ সংসারে অশান্তির আসনি সংকেত প্রতিয়মান হচ্ছে, যাহা পরবর্তীতে সমাজের উপরে প্রভাব পড়ে,এতে করে সমাজের অবকাঠামো ভেঙে পড়ে। মা বাবারা এইসব প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে অক্ষম হয়ে পড়েন, তাই মধ্যম প্রন্থায় সমাজ বিনির্মান জরুরি নয় কি?

প্রত্যেক মসজিদের একজন ইমাম থাকেন, আমার ব্যক্তিগত অনূভুতিতে প্রত্যেক সমাজের ইমাম সাহেব সমাজের উৎকৃষ্ট, জ্ঞনী সকলের সম্মানীত ব্যক্তি, নির্বাচীত জনপ্রতিনিধিরা এলাকা ভিওিক ইমামদের সমন্বয়ে মধ্যম প্রন্থার সমাজ বিনির্মান করতে সহজ হবে।

আমি মূছাপুরের সাধারণ জনগণ হিসেবে আমার মা বোনের ইজ্জত আবরু, জান,মাল,পর্দা রক্ষা করা যেমন আমার দায়িত্ব, তেমনি নির্বাচিত প্রতিনিধির তার নির্বাচনী এলাকার সকল মা বোনের ইজ্জত, আবরু,জান,মাল, রক্ষা করা একজন প্রতিনিধির দায়িত্ব।

প্রাথমিক শিক্ষা বলতে আমি মক্তব কে বুঝি, যা অনেকটা বিলুপ্তির পথে নিবাচিত হলে ইনশাআল্লাহ মক্তবের শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে

মক্তব,মাদ্রাসা,এতিমখানা,হেফজখানা,স্কুল, কলেজ সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্টানে শিক্ষার সুসম পরিবেশ বাজায় রাখতে সর্বাতোক শেষ্টা সহযোগিতা করে যাবো

বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারনে মা,বোন,স্কুলের ছাএ ছাএী বাডী হতে বাহির হতে পারেনা,জলাবদ্বাতার কারনে কৃষকের ক্ষেতের ফষল নষ্ট হয় তাই কৃষকেরা কৃষি কাজে অনিহা প্রকাশের কারনে আবাদী জমি অনাবাদি জংলী জমিতে পরিনত হয়েছে। ইনশাআল্লাহ নির্বাচিত হলে জলাবদ্ধতা নিরসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে

হাট, বাজার গুলো তে ডাষ্টবিন ব্যবস্হা না থাকাতে যে খানে সে খানে ময়লা আর্বোজনা ফেলা হয় যাতে পরিবেশ দূষন হয়।ইনশাআল্লাহ নির্বাচিত হলে ডাষ্টবিনের মাধ্যমে ময়লা আর্বোজনা পরিষ্কারের বিশেষ ব্যবস্তা করা হবে

একটা ঘর,সংসার, সমাজ সূন্দর সূখের এবংসমৃদ্বি করতে যুবকদের বিকল্প নাই। তাই যুবকদের কে কর্ম মূখী করার জন্য সকল সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে

সরকারি সকল উনয়ন মূলক কাজ এলাকা বাসীর পরামর্শ মোতাবেক করা হবে

আমি নির্বাচিত হলে ইনশাআল্লাহ,এলাকা ভিত্তিক উপরোক্ত কার্যক্রম গুলো এগিয়ে নিতে আমার আনারস মার্কায় আপনাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করুন। সবাই ভালে থাকবেন সুস্থ থাকবেন, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবেন, মাস্ক পরিধান করবেন’’

সন্দ্বীপ


শেয়ার

আরও পড়ুন