ফটিকছড়িতে ঈদের পরেই ভোট, থাকছে না দলীয় প্রতীক!





শেয়ার

সজল চক্রবর্তী ( ফটিকছড়ি)  চট্টগ্রাম: আগামী মার্চে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও রমজানের কারণে তা হচ্ছে না । তবে ঈদুল ফিতরের পর এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে নির্বাচন অফিস সূত্রে জানাগেছে। 

 

ফটিকছড়ির ইউপি নির্বাচন দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হতে পারে এমন আলোচনাও চলছে সর্বত্র। মার্চে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে এমন প্রস্তুতি নিয়ে এতদিন ধরে এগোচ্ছিলেন  সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, মেম্বার পদের প্রার্থীরা । সর্বশেষ এখন ঈদের পরে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই খবরে অনেক সম্ভাব্য প্রার্থী আপাতত চুপসে  গেলেও বেশীর ভাগ প্রার্থী মাঠ পর্যায়ে এখনো সক্রিয় রয়েছে। তবে অধিকাংশ সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়াকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, সামনে রোজা এবং ঈদ আসছে, নির্বাচনের পূর্বে এ ধর্মীয় আচার-উৎসবে  আরো বেশী কাছে কাছে যেতে পারব। 

 

এদিকে, ঈদের পর অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না বলে আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল একাধিক নেতা সূত্রে জানা গেছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সাথে আওয়ামী লীগের দলীয় সাংসদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জানা গেছে ওই বৈঠকে বেশীর ভাগ সংসদ সদস্য ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না রাখার পক্ষে নিজেদের মত দিয়েছেন । তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখনো এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত জানাননি। 

 

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম জেলা পর্যায়ের একাধিক নেতার সাথে কথা হলে তাঁরা বলেন, বিষয়টি যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপিত হয়েছে, সে হিসেবে শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না রাখার পক্ষে নিজের মতামত ব্যক্ত করতে পারেন। 

 

অপরদিকে, স্থানীয় একাধিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না রাখার বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, স্থানীয় সরকারের নির্বাচন গুলোতে দলীয় প্রতীক ব্যবহার হওয়ার কারণে স্থানীয় রাজনীতিতে একদিকে কর্মীরা যেমন গ্রুপিংয়ে জড়িয়ে পড়ছে। অন্যদিকে অনেক যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারছেন না। ফলে, দেশে তৃণমূল পর্যায়ে যোগ্য নেতৃত্বের সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। 

 

অন্যদিকে, আগামী নির্বাচন থেকে ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রতীক আর থাকছে না, এমন খবরকে স্বাগত জানিয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন বিশেষ করে আওয়ামী লীগ-বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

নির্বাচন


শেয়ার