আজকের সর্বশেষ


২০ দিনেও মেরামত হয়নি শীপ:দূর্ভোগ চরমে সন্দ্বীপবাসীর





শেয়ার

 খাদেমুল ইসলাম,সন্দ্বীপ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ নৌ রুটে (গুপ্তছড়া -কুমিরা) যাত্রী পারাপার করে আসছিল এমভি আইভি রহমান। গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শীপটি মেরামতের জন্য কর্নফুলি শিপিং কর্পোরেশন এর ডকইয়ার্ডে যায়। এদিকে বর্তমানে প্রায় সাগর উত্তাল থাকে প্রতিদিন ২ থেকে ৩ হাজার যাত্রী উভয় পাড়ে আটকে থাকে। নিরুপায় হয়ে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ পরিচালিত কাঠের বোটে ঝুঁকি নিয়ে উত্তাল সাগর পাড়ি দিচ্ছে এ দ্বীপের বাসিন্দারা। শীপ এমভি আইভি রহমান এর কাজের অগ্রগতি জানতে ০৪ অক্টোবর বেলা ১১ টায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসির) চট্টগ্রাম এর মহা ব্যবস্থাপক(বানিজ্য) গোপাল চন্দ্র মজুমদারের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান শীপের যে প্রফেলার (পাখা) সমস্যা, সেটি ঠিক করার জন্য পাখা খুলে ডায়ার বড় করে এখানে বুস বসানো হয়েছে। আমাদের চট্টগ্রামের টীম পর্যবেক্ষন করছেন আগামি সপ্তাহে ঢাকা থেকে আমাদের কারিগরি পরিচালক এবং চীফ ইঞ্জিনিয়ার আসবেন উনারা এসে মেরামত কাজটি দেখবেন। উনাদের দেখার পর দ্রুত হয়ে যাবে বলে তিনি জানান। শীপ সন্দ্বীপ রুটে কবে নাগাদ যুক্ত হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন আগামি সপ্তাহে যুক্ত হতে পারে। সন্দ্বীপ নাগরিক সমাজের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মুকতাদের আজাদ খান বলেন, নিম্নচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকার পরও পাখা অকার্যকর এমন অজুহাতে কোন প্রকার পূর্ব ঘোষনা ও বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া গুপ্তছরা-কুমিরা নৌপথে জাহাজ নেই গত ২০ দিন। তিনি আরও বলেন স্কুলের কাজে আমি গত রবিবার, ১ অক্টোবর মালের বোটে মালের সাথে একাকার হয়ে সন্দ্বীপ যেতে বাধ্য হয়েছি। ঐ বোটে যাত্রী ছিল দুই শতাধিক। পুরো নদীতে প্রতি মুহুর্তে মনে হচ্ছিল বোট ডুবে যাচ্ছে। গত দুই দিন হাজার হাজার মানুষ গুপ্তচরা ঘাটে এসে নদী পারাপারের কোন ব্যবস্থা না থাকায় বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে অনতিবিলম্বে কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। অন্যথায় জনগনকে সাথে নিয়ে আমরা বৃহত্তর লাগাতার আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।

জাতীয়


শেয়ার